
ক্রীড়া প্রতিবেদক | ঢাকা বিপিএলের মঞ্চে নতুন ইতিহাস গড়ল রাজশাহী ওয়ারিয়র্স। গতকাল মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত শ্বাসরুদ্ধকর ফাইনালে প্রতিপক্ষকে পরাজিত করে প্রথমবারের মতো চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে তারা। মাঠের লড়াইয়ে খেলোয়াড়দের বীরত্ব আর নেপথ্যে সোনারগাঁওয়ের কৃতি সন্তান, তরুণ উদ্যোক্তা সোহেলের বলিষ্ঠ স্পন্সরশীপ—এই দুইয়ের সমন্বয়েই ধরা দিয়েছে এই কাঙ্ক্ষিত সাফল্য।
ম্যাচের সংক্ষিপ্ত রূপরেখা
ফাইনালে টসে জিতে প্রথমে ব্যাটিং করার সিদ্ধান্ত নেয় রাজশাহী ওয়ারিয়র্স। নির্ধারিত ২০ ওভারে তারা চ্যালেঞ্জিং স্কোর দাঁড় করায়। জবাবে রান তাড়া করতে নেমে প্রতিপক্ষ দল শুরুটা ভালো করলেও রাজশাহীর বোলারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিং ও অসাধারণ ফিল্ডিংয়ের সামনে শেষ পর্যন্ত হার মানতে বাধ্য হয়। শেষ ওভারের নাটকীয়তায় জয় নিশ্চিত হতেই উল্লাসে মেতে ওঠে রাজশাহীর ডাগআউট। রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের এই অভাবনীয় জয়ের পর ক্রিকেট পাড়ায় আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এখন সোনারগাঁওয়ের সফল উদ্যোক্তা সোহেল। দলের কঠিন সময়ে তিনি স্পন্সর হিসেবে পাশে দাঁড়িয়ে শুধু আর্থিক সহযোগিতা নয়, বরং খেলোয়াড়দের মনোবল বৃদ্ধিতেও বড় ভূমিকা রেখেছেন। তার এই দূরদর্শী সিদ্ধান্ত ও ক্রিকেটের প্রতি ভালোবাসা আজ দলটিকে বিপিএল সেরার মুকুট এনে দিয়েছে। সোহেলের হাত ধরে বিপিএলে এমন বড় সাফল্য আসায় খুশির জোয়ার বইছে তার জন্মভূমি সোনারগাঁওয়ে। স্থানীয়রা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সোহেলকে অভিনন্দন জানাচ্ছেন। এলাকাবাসীর মতে, সোহেল শুধু একজন সফল উদ্যোক্তা নন, তিনি সোনারগাঁওয়ের যুবসমাজের অনুপ্রেরণা। তার হাত ধরে ভবিষ্যতে দেশের ক্রীড়াঙ্গন আরও এগিয়ে যাবে বলে তারা বিশ্বাস করেন।
“এই জয় আমাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফল। সোনারগাঁওয়ের নাম উজ্জ্বল করতে পেরে আমি অত্যন্ত আনন্দিত।” — সোহেল, স্পন্সর (রাজশাহী ওয়ারিয়র্স)