1. dailyainerkantho@gmail.com : admin :
  2. sangbad71bangladesh@gmail.com : sangbad71bangladesh :
৩০শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ১৫ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ| বর্ষাকাল| বৃহস্পতিবার| দুপুর ১:০৭|
শিরোনামঃ
মানবিকতায় এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত: জামপুর ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের মেম্বার পদপ্রার্থী মোঃ আমিনুল ইসলাম চন্দন বাংলাদেশ পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান হলেন সোনারগাঁয়ের এস,এম, ওয়ালিউর রহমান আপেল প্রিন্সিপাল ১০০ প্লাজার আলোচিত আইফোন চুরি: গ্রেপ্তার আসামিরা, কিন্তু কোথায় ১৪৬টি ফোন? মল্লিকপাড়া ও উত্তমদীতে মাদক নিষিদ্ধ: বিএনপি নেতা হিরনের নেতৃত্বে এলাকাবাসীর বিশাল প্রতিবাদ মিছিল সোনারগাঁওয়ে আর্জেন্টিনার সমর্থক ও শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী ‘সাহস’ গ্রেফতার; এলাকায় স্বস্তি পবিত্র ওমরাহ হজে যাচ্ছেন বিশিষ্ট শিল্পপতি ও সমাজসেবক সোহেল রানা বৈদ্যেরবাজার ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে সর্বস্তরের মানুষের দোয়া কামনা সোনারগাঁওয়ে পল্লী বিদ্যুতের চরম ভোগান্তি: ‘লুকোচুরি’ খেলায় অতিষ্ঠ জনজীবন, ক্ষোভে ফুঁসছে এলাকাবাসী সোনারগাঁয়ে অলিগলিতে মাদকের জাল, ধ্বংসের মুখে পরিবার: এমপি ও প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি ব্রেকিং নিউজ: সোনারগাঁওয়ে দোকানে চুরি, সোনারগাঁও প্রিন্সিপাল ১০০ প্লাজার ‘আমিনুল টেলিকম’ নামের একটি প্রতিষ্ঠানে চুরির ঘটনা ঘটেছে। পরিচ্ছন্ন বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে নিয়োজিত স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘বিডি ক্লিন’-এর সোনারগাঁও উপজেলা শাখার নতুন সমন্বয়ক প্যানেল ঘোষণা করা হয়েছে।

জি.আর. স্কুল অ্যান্ড কলেজের ফলাফলে বিপর্যয়: হতাশ প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা, গৌরব ফেরানোর দাবি

সোনারগাঁ প্রতিনিধি
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ১৬, ২০২৫,
  • 1398 Time View

সোনারগাঁও, নারায়ণগঞ্জ: ঐতিহ্যবাহী জি.আর. স্কুল অ্যান্ড কলেজের এবারের উচ্চ মাধ্যমিক (এইচএসসি) পরীক্ষার ফলাফল প্রাক্তন ছাত্রছাত্রী ও এলাকাবাসীর মধ্যে ব্যাপক হতাশা ও উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে। এইচএসসি-২০২৫ পরীক্ষায় প্রতিষ্ঠানটির পাশের হার মাত্র ১৮.৪৯% হওয়ায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একজন প্রাক্তন ছাত্রের আবেগঘন লেখা আলোচনার সূত্রপাত করেছে। এই ফলাফলকে কেন্দ্র করে প্রতিষ্ঠানের সুদীর্ঘ ঐতিহ্য এবং শিক্ষার মান নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

ঐতিহ্যবাহী এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটির একজন প্রাক্তন ছাত্র তার ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন, “জি.আর. স্কুল অ্যান্ড কলেজ এর এইচএসসি-২০২৫ পরীক্ষার ফলাফল দেখে একজন প্রাক্তন ছাত্র হিসেবে সত্যিই খুব বিস্মিত এবং হতাশ। পাশের হার মাত্র ১৮.৪৯% – যা আমাদের ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠানের প্রত্যাশিত ফলাফলের তুলনায় একেবারেই নগন্য।”

তিনি আরও বলেন, “স্কুলটির সোনালী দিনের বহু স্মৃতি আমাদের হৃদয়ে গাঁথা। শিক্ষক-শিক্ষিকা, পরিচালনা পরিষদের এবং বর্তমান শিক্ষার্থীদের প্রতি আমার বিনীত অনুরোধ, এই ফলাফলকে একটি ‘ওয়েক-আপ কল’ হিসেবে নিয়ে এর কারণগুলো গভীরভাবে পর্যালোচনা করা হোক।” তার এই আকুতি দ্রুতই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে এবং অন্যান্য প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের মাঝেও আলোড়ন সৃষ্টি করে। অনেকেই তার এই বক্তব্যের সাথে একাত্মতা প্রকাশ করে প্রতিষ্ঠানের বর্তমান অবস্থা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

পোস্টটিতে এই প্রাক্তন ছাত্র প্রশ্ন তুলেছেন, “কোথায় ঘাটতি ছিল? শিক্ষকতার মানে, শিক্ষার্থীদের প্রস্তুতিতে নাকি সামগ্রিক শিক্ষাব্যবস্থায়?” এই প্রশ্নগুলোই এখন ঘুরপাক খাচ্ছে এলাকার সচেতন মহলে। একটি ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠানের এমন ফলাফলের পেছনে কী কারণ থাকতে পারে, তা নিয়ে চলছে চুলচেরা বিশ্লেষণ।

জি.আর. স্কুল অ্যান্ড কলেজ, যার পুরো নাম সোনারগাঁ গঙ্গাবাসী ও রামচন্দ্র পোদ্দার ইনস্টিটিউশন মডেল স্কুল এন্ড কলেজ , এই অঞ্চলের অন্যতম প্রাচীন এবং স্বনামধন্য একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। যার রয়েছে শতবর্ষের গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস। এই প্রতিষ্ঠানের প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা দেশ-বিদেশে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে অধিষ্ঠিত আছেন। স্বাভাবিকভাবেই, প্রতিষ্ঠানের এমন অপ্রত্যাশিত ফলাফলে তারা মর্মাহত।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন অভিভাবক বলেন, “আমরা আমাদের সন্তানদের এই স্কুলে ভর্তি করি এর সুনাম এবং ভালো ফলাফলের কথা চিন্তা করে। কিন্তু এই বছর যা হলো, তা আমাদের হতাশ করেছে। স্কুল কর্তৃপক্ষের উচিত দ্রুত এই সমস্যা সমাধানে পদক্ষেপ নেওয়া।”

এই বিষয়ে স্কুল কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া না গেলেও, এমন ফলাফল বিপর্যয়ের পর স্কুল প্রশাসন এবং পরিচালনা পর্ষদ জরুরি বৈঠকে বসতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। শিক্ষার মান উন্নয়ন এবং প্রতিষ্ঠানের হারানো গৌরব পুনরুদ্ধারে তারা কী ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করেন, সেদিকেই তাকিয়ে আছে সবাই।

সামাজিক মাধ্যমে সেই প্রাক্তন ছাত্র তার লেখার শেষে আশা প্রকাশ করে বলেন, “আমাদের প্রিয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান যেন দ্রুত ঘুরে দাঁড়াতে পারে এবং সোনালী অতীতের গৌরব ফিরে পেতে পারে, সেই কামনা করি। নতুন বছরে যেন আমাদের স্কুলের নাম ফলাফলের শীর্ষে দেখি, সেই আশায় রইলাম।” তার এই প্রত্যাশা যেন সকল প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষার্থী এবং এলাকার মানুষের সম্মিলিত প্রত্যাশারই প্রতিধ্বনি। এখন দেখার বিষয়, এই ‘ওয়েক-আপ কল’ জি.আর. স্কুল অ্যান্ড কলেজ কর্তৃপক্ষের ঘুম ভাঙাতে কতটা সক্ষম হয়।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2025                                    Themes Create By BDITWORK