1. dailyainerkantho@gmail.com : admin :
  2. sangbad71bangladesh@gmail.com : sangbad71bangladesh :
১৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ২৯শে ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ| শরৎকাল| রবিবার| দুপুর ১২:৩০|
শিরোনামঃ
আমান সিমেন্টের উদ্যোগে সিদ্ধিরগঞ্জে ‘নির্মাণশিল্পী সম্মেলন-২৬’ অনুষ্ঠিত গ্রামের সরকারী সড়ক রক্ষায় প্রতিবাদ করায় গ্রামবাসীর নামে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগ  সোনারগাঁও সড়ক দূর্ঘটনায় মোটর সাইকেল আরোহী নিহত সোনারগাঁও অবৈধ চায়না দুয়ারি ৪০ বস্তা জাল জব্দ। সোনারগাঁও সওজের জায়গায় অবৈধ পাঁচ শতাধিক দোকান উচ্ছেদ মঙ্গলগাঁও বটতলায় যুবসমাজের উদ্যোগে পিরোজপুর ইউনিয়ন নির্বাচন উপলক্ষে উঠান বৈঠক ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত অনলাইন প্লাটফর্ম “সুলতান মটরসের” বিরুদ্ধে সোনারগাঁ থানায় জালিয়াতি ও প্রতারণার অভিযোগ। আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে ভোলাকে দেশের মূল ভুখন্ডের সাথে যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে বর্তমান সরকারের -নৌপরিবহন মন্ত্রী  পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য সোনারগাঁও গড়ার প্রত্যয়: তাহেরপুর হাজী লাল মিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে সচেতনতামূলক কর্মসূচি সোনারগাঁও পুলিশের রাতভর বিশেষ অভিযান আটক ৩০, গাঁজা ইয়াবা উদ্ধার 

বিশ্ব শিক্ষক দিবস আজ: জাতি গঠনের কারিগরদের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও সম্মান

নিজস্ব প্রতিনিধি
  • Update Time : রবিবার, অক্টোবর ৫, ২০২৫,
  • 1425 Time View

নিজস্ব প্রতিবেদক: আজ ৫ অক্টোবর, বিশ্ব শিক্ষক দিবস। ক্যালেন্ডারের পাতায় এই দিনটি একটি সাধারণ তারিখ হলেও, মানবজাতির অগ্রগতি ও সভ্যতার ইতিহাসে এটি এক গভীর অর্থ বহন করে। এ দিনটি হলো সেই মহান কারিগরদের প্রতি আমাদের বিনম্র শ্রদ্ধা ও অশেষ কৃতজ্ঞতা জানানোর দিন, যাঁরা জ্ঞানের প্রদীপ জ্বেলে অন্ধকার ঘুচিয়ে আমাদের চলার পথকে আলোকিত করেন।

জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি সংস্থা (ইউনেস্কো) কর্তৃক ১৯৯৪ সাল থেকে বিশ্বব্যাপী এই দিবসটি পালিত হয়ে আসছে। শিক্ষকরা শুধু আমাদের অক্ষরজ্ঞান দেন না, তাঁরা আমাদের মধ্যে নৈতিকতা, স্বপ্ন ও মানবিকতার বীজ বপন করেন। একটি জাতির উত্থান-পতন, অগ্রগতি-অবনতি—সবকিছুর পেছনে শিক্ষকের নীরব ভূমিকা থাকে সবচেয়ে বেশি। তাঁরা প্রকৃত অর্থেই ‘মানুষ গড়ার কারিগর’।

প্রতিপাদ্য: সম্মিলিত প্রচেষ্টার দীপ্তি

এ বছরের বিশ্ব শিক্ষক দিবসের প্রতিপাদ্য হলো—”শিক্ষকতা পেশা: মিলিত প্রচেষ্টার দীপ্তি”। এই প্রতিপাদ্যটি স্মরণ করিয়ে দেয় যে, একটি উন্নত ও কার্যকর শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তুলতে শিক্ষক, সরকার, অভিভাবক এবং গোটা সমাজের একত্রিত ও সহযোগিতামূলক ভূমিকা অপরিহার্য। শিক্ষার মানোন্নয়ন কেবল শিক্ষকের একক দায়িত্ব নয়, বরং এটি একটি সামাজিক দায়িত্ব। আজকের পরিবর্তিত বিশ্বে যেখানে প্রযুক্তির সঙ্গে শিক্ষার এক নতুন মেলবন্ধন ঘটছে, সেখানে শিক্ষকদের পাশে সকলের সহযোগিতা অপরিহার্য।

শিক্ষক: এক জীবনব্যাপী অনুপ্রেরণা

শিক্ষক মানেই শৃঙ্খলার এক মূর্তিমান প্রতীক; শিক্ষক মানেই নিঃস্বার্থ ভালোবাসার এক অফুরন্ত উৎস। তাঁরা ক্লাসরুমের চার দেয়ালের বাইরেও আমাদের জীবনে গভীর প্রভাব ফেলেন। একজন ভালো শিক্ষক তাঁর শিক্ষার্থীর সম্ভাবনাকে কেবল আবিষ্কারই করেন না, তাকে সেই সম্ভাবনাকে বাস্তবে রূপ দেওয়ার সাহসও জোগান। আমরা জীবনে যত বড় হই না কেন, আমাদের চলার পথে শিক্ষকের শেখানো নীতি আর অনুপ্রেরণাগুলো যেন এক অদৃশ্য পাথেয় হয়ে থাকে।

সম্মান ও স্বীকৃতির আহ্বান

শিক্ষক দিবসে যখন আমরা শিক্ষকদের গুণগান গাই, তখন আমাদের অবশ্যই তাঁদের বাস্তব জীবনের চ্যালেঞ্জগুলোর দিকেও নজর দিতে হবে। শিক্ষকরা প্রায়শই সমাজের অন্যান্য পেশার তুলনায় কম সুযোগ-সুবিধা নিয়ে জীবন ধারণ করেন। বিশেষ করে গ্রামীণ এবং বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের সংগ্রামটা আরও বেশি কঠিন।

এই দিনে সকলের কাছে আমাদের প্রত্যাশা—শিক্ষকদের প্রতি আমাদের সম্মান যেন কেবল একটি দিনের আনুষ্ঠানিকতা না হয়। তাঁদের ন্যায্য মর্যাদা, উপযুক্ত পারিশ্রমিক ও নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। শিক্ষার মতো একটি মৌলিক ও গুরুত্বপূর্ণ খাতে যথাযথ রাষ্ট্রীয় বিনিয়োগ নিশ্চিত হলেই জাতি গঠনের এই মহান ব্রত আরও সফল হবে।

আসুন, এই দিনে আমরা আমাদের জীবনের সেই সব শিক্ষকদের একবার মনে করি, যাঁদের হাত ধরে আমরা আজ এই অবস্থানে পৌঁছেছি। তাঁদের প্রতি রইল আমাদের গভীরতম শ্রদ্ধা এবং অশেষ ধন্যবাদ।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2025                                    Themes Create By BDITWORK